বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লিফলেটে লেখা হয়েছে, দুঃখের বিষয়, ভোলার গ্যাস ভোলাবাসীকে দেওয়া হচ্ছে না। তারা গ্যাস ব্যবহার করতে চায়। দেশের প্রধানমন্ত্রীও তা–ই চান। সুন্দরবন গ্যাস বিতরণ কোম্পানি বরাবর এখন পর্যন্ত ভোলার ছয় হাজার পরিবার গ্যাসের সংযোগের জন্য আবেদন করেছে। যার মধ্যে সংযোগ পেয়েছে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। বাকিরা তিন বছর আগে আবেদন করেও গ্যাসের সংযোগ পায়নি। ১ হাজার ২০০টি পরিবার গ্যাস বিতরণ কোম্পানির অ্যাকাউন্টে চাহিদামতো টাকা জমা দিয়েও গ্যাসের সংযোগ পাচ্ছে না। এ ছাড়া ২০০ পরিবারের ঘরের সামনে রাইজার বসালেও গ্যাসের সংযোগ দেওয়া হয়নি। কারণ, একটি মহল চাচ্ছে না, ভোলার গ্যাস ভোলার মানুষের ঘরে যাক। অথচ গ্যাসের সংযোগ না থাকার কারণে প্রতিদিন শত শত মেট্রিক টন জ্বালানি কাঠ পুড়ছে, বন ধ্বংস হচ্ছে। সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বেড়েই চলেছে।

ঘরে ঘরে গ্যাস চাই আন্দোলন কমিটির সভাপতি মোবাশ্বির উল্লাহ চৌধুরী জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) ভোলায় ভূতাত্ত্বিক জরিপের মাধ্যমে আরও তিনটি গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পেয়েছে। গ্যাসক্ষেত্রগুলো ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা-১, ভোলা নর্থ-২ ও বোরহানউদ্দিন উপজেলায় টবগি-১। এ ছাড়া ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া, টবগী ও সদর উপজেলার ভেদুরিয়াতে আরও চারটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে আগে থেকেই। সব মিলিয়ে ভোলায় বিপুল পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে। যার খুব সামান্যই ৪টি বিদ্যুৎকেন্দ্র, ৩টি কারখানাসহ ২ হাজার ৩৫০ জন গ্রাহক গ্যাস ব্যবহার করছেন। যাঁরা গ্যাসের সংযোগের জন্য আবেদন জানিয়েছেন, তাঁদের দ্রুত গ্যাস সরবরাহ করা উচিত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন