বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সম্প্রতি সাতগাছিয়া গ্রামে গিয়ে কথা হয় রাশিদা বেগমের সঙ্গে। তাঁর স্বামী দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে থাকেন। রাশিদা বেগম বাবার বাড়িতে ঝুপড়িতে থাকেন। রাশিদা বলেন, যে ঘরে থাকেন, সেখানে বাস করা যায় না। বর্ষার সময় পানি আর শীতে বাতাসের কষ্ট। ঘর পাওয়ার আশায় ধার করে ইউপি সদস্যদের কাছে ১৩ হাজার টাকা দিয়েছেন। এক বছর পার হলেও ঘর পাননি। টাকাও ফেরত পাচ্ছেন না।

কামরুল ইসলাম বলেন, ইউপি সদস্য রাশেদুলকে টাকা দিতে তিনি সবাইকে উৎসাহিত করেছেন। তিনি মধ্যস্থতা করে টাকাও দিয়েছেন। এখন কেউ ঘর পাচ্ছেন না।

এ বিষয়ে ইউপি সদস্য রাশেদুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজে হাতে কোনো টাকা নেননি। শুনেছেন, কামরুল ইসলাম কারও কারও কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। যাঁরা টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন, তাঁদের জমির কাগজপত্র নেওয়া হয়েছে ঘর দেওয়ার জন্য। ইতিমধ্যে সেই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে।

কাষ্টভাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন খান বলেন, ‘শুনেছি, রাশেদুল মেম্বার নাকি টাকা নিয়েছেন। কয়েকজন আমার কাছে অভিযোগও করেছিলেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য ইউ সদস্যকে বলেছিলেন।’

এ বিষয়ে ইউএনও সুবর্ণা রানী সাহা বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন