পিরোজপুর জেলা পুলিশ লাইনস প্রান্ত থেকে সরাসরি সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেন খাদিজা বেগম। খাদিজা ঘর পাওয়ার অনুভূতি জানাতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও আবেগপ্রবণ হন এবং খাদিজার সন্তানদের খোঁজখবর নেন।

খাদিজা বেগম প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, তিনি মানুষের বাসাবাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ করে সংসার চালান। তাঁদের কোনো জমি ছিল না। পিরোজপুর শহরের সিআই পাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। এখন তিনি ঘর পেয়েছেন। এত দিন তাঁর কোনো মাথা গোঁজার স্থান ছিল না। ঘর পেয়ে তিনি খুশি।

প্রধানমন্ত্রীকে খাদিজা আরও বলেন, ‘এই ঘরটা যদি না পাইতাম, জীবনেও এমন ঘর করতে পারতাম না। আপনি আমারে জমি কিনে ঘর দিছেন। আমি আল্লাহর কাছে আপনার জন্য, আপনার বাবা-মায়ের জন্য দোয়া করি।’

পিরোজপুর পুলিশ লাইনস থেকে ভিডিও কনফারেন্স সঞ্চালনা করেন বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের উপমহাপরিদর্শক এস এম আক্তারুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম এ আউয়াল, পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র হাবিবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক মহিউদ্দিন মহারাজ প্রমুখ।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে গৃহহীন সাতটি পরিবারকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আধা পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন