আশ্রয়ণের বাড়ি বিক্রির অভিযোগ অস্বীকার করে উপকারভোগী নূর ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি কোনো বাড়ি বিক্রি করিনি। তবে আমি যেহেতু ওই বাড়িতে থাকি না, তাই বাড়িটি আত্মীয়কে থাকতে দিয়েছি।’ তিনি এ বিষয়ে আর কিছু জানাতে অস্বীকৃতি জানান।

বোতলাগাড়ী আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছেন মোবারক হোসেন (৪২)। তিনি বলেন, তাঁর বাড়ি দিনাজপুরের রানীবন্দরে। গভীর রাত পর্যন্ত সৈয়দপুর শহরে তিনি রিকশা চালান। প্রতিদিন বাড়িতে যাতায়াতে তাঁর সমস্যা হতো। তিনি ছকিনা বেগমের কাছ থেকে ঘরটি ভাড়া নিয়েছেন। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে ভাড়া দিচ্ছেন তিনি। আশ্রয়ণে স্বল্প টাকায় ঘর ভাড়া পেয়েছেন। তাই স্ত্রী ও দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে এখন সেখানেই থাকছেন। আশ্রয়ণের ঘর ভাড়া নেওয়া যায় কি না, প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘অল্প ভাড়ায় থাকতে পারছি, এটাই আমার কাছে বড় কথা। তিনি কীভাবে আমাকে ভাড়া দিয়েছেন, তা আমি জানি না।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দ নিয়ে না থাকা, ভাড়া কিংবা বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এমনটি করে থাকেন, তবে অবশ্যই তদন্তসাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন