বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, নৌযোগাযোগ সচল রাখতে দরকার নদী খনন। তবে সেই কাজে বরাদ্দ মিলছে না।

গত শনিবার সকালে কালীতলা খেয়াখাটে গিয়ে দেখা গেছে সুনসান নীরবতা। খেয়াঘাটকে কেন্দ্র করে কালীতলা গ্রোয়েন বাঁধে গড়ে ওঠা শতাধিক দোকানের বেশির ভাগই বন্ধ, কিছু দোকান খোলা থাকলেও নেই বেচাবিক্রি। ব্যবসা-বাণিজ্যও বন্ধ।

কাজলার চরের কৃষক আয়নাল ফকির বলেন, ‘১০ মণ পাট ব্যাচপার আচ্চি। এখন দেবডাঙ্গা ঘাট থ্যাকে ভ্যানত করে গঞ্জত লেওয়া লাগবি। এক মণ পাটের নৌকাভাড়া লাগত ৬০ টেহা। এখন নৌকাভাড়া ছাড়াই ঘাট থ্যাকে সারিয়াকান্দি হাটে এক মণ পাটের ভ্যানভাড়া দেওয়া লাগিচ্চে ৩০ টেহা। পরিবহন খরচ দেড় গুণ গোনা লাগিচ্চে।’

সারিয়াকান্দি পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান বলেন, কালীতলা ঘাটের উজান-ভাটিতে অসংখ্যা ডুবোচর জেগে উঠে নাব্যতা হারানোয় শুষ্ক মৌসুমে নৌযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হচ্ছে। ঘাট সচল ও নৌযোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে নদী খনন দরকার। নাব্যতা ফিরলে ঘাট আবার কালীতলায় সরিয়ে আনা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন