সোমবারের বৃষ্টিতে নগরের ২ নম্বর গেট, বাকলিয়ার ডিসি সড়কসহ কিছু কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এসব এলাকায় গোড়ালি থেকে হাঁটুসমান পানি জমে যায়। বৃষ্টি থামার পরেও পানি নামতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।

২ নম্বর গেট মোড়ে পানি জমে থাকায় অনেককেই ময়লা পানির মধ্য দিয়ে হাঁটতে হয়েছে। ভুক্তভোগী চাকরিজীবী বেলায়েত হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সামান্য বৃষ্টি হয়েছে। এতে রাস্তায় পানি জমে গেছে। তাহলে এত কাজ করে লাভটা কী হলো? এখন নোংরা পানির মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে।

default-image

একই ধরনের ক্ষোভ প্রকাশ করে নগরের বাকলিয়ার ডিসি সড়কের বাসিন্দা মিনহাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রতিবছরই শুনি আগামীবার আর জলাবদ্ধতার অভিশাপ থাকবে না। কিসের কী? বৃষ্টি হলেই পানিতে রাস্তাঘাট তলিয়ে যাবে, এটাই নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। খালগুলোর ভেতরে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ময়লা-আবর্জনাও ঠিকমতো পরিষ্কার করা হচ্ছে না। খাল ভরাট হয়ে আছে। তাই সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা হচ্ছে। কিন্তু এভাবে তো চলতে পারে না।

এর আগে ঈদের তৃতীয় দিন গত বৃহস্পতিবার ভোররাতের একপশলা বৃষ্টিতে নগরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে চার থেকে ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত পানি জমে ছিল। উৎসবের সময় এভাবে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ভুক্তভোগীরা। গত বছরও ঈদের দিন দুপুরে বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা হয়েছিল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন