পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, আজ সকাল ৬টার দিকে অশনি পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। ঘূর্ণিঝড়টি আরও উত্তর-পশ্চিমের দিকে অগ্রসর হতে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল রাত থেকেই জেলার বিভিন্ন স্থানে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল। কোথাও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিও হয়েছে। আজ সকাল থেকে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এদিকে বঙ্গোপসাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় মাছ ধরা ট্রলারগুলো নিরাপদে পটুয়াখালীর মহিপুর, আলীপুর, গঙ্গামতি, রাঙ্গাবালীর চর মোন্তাজসহ বিভিন্ন চ্যানেলে নিরাপদ আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।

default-image

দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার স্বেচ্ছাসেবকেরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। দুর্যোগপ্রবণ কলাপাড়া, দশমিনা, গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী—এই চারটি উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির আওতায় ৯ হাজার ১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির কলাপাড়া উপজেলার সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, ইতিমধ্যে তাঁরা তাঁদের টিম লিডারদের (দলনেতা) সঙ্গে কথা বলেছেন। নির্দেশনা পেলেই তাঁরা মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত আছেন।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সুমন চন্দ্র দেবনাথ প্রথম আলোকে বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি হিসেবে ৭০৭টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ানো হবে। এখন তাঁরা ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন