ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) ১ হাজার ২৭৫ জন ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ২৭০ জন স্বেচ্ছাসেবক দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিয়েছেন। অশনি মোকাবিলায় ৪২৫ প্যাকেট শুকনা খাবার, ৬৯টি মেডিকেল দল ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার বলেন, ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসে বোরো ধানের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ কারণে কৃষকদের খেতের পাকা ধান কাটার জন্য বলা হয়েছে। ৫৬ শতাংশ বোরো ধান কাটা শেষ হয়েছে। কিছু বোরো ধান দেরিতে আবাদ করায় সেগুলো কাটা সম্ভব হচ্ছে না।

পিরোজপুর জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় অশনি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি আমরা নিয়ে রেখেছি। ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে চার নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হলে মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করব।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন