বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ইউএনও ওয়াহিদা খানম একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। হামলাকারীরা সেই মুক্তিযোদ্ধার ওপরও হামলা করেছে। এর উপযুক্ত বিচার করতে হবে।

সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এই মানববন্ধন চলে। এ কর্মসূচি চলাকালে বক্তারা বলেন, ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনাটি নিন্দনীয় অপরাধ। এ সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনার সঠিক বিচার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। ইউএনও ওয়াহিদা খানম একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। হামলাকারীরা সেই মুক্তিযোদ্ধার ওপরও হামলা করেছে। এর উপযুক্ত বিচার করতে হবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবদুর রব এবং স্থানীয় কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের সন্তানেরা।

default-image
default-image

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার মধ্যরাতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনওর সরকারি বাসভবনের ভেন্টিলেটর কেটে দুর্বৃত্তরা ইউএনও ওয়াহিদা খানমের শয়নকক্ষে ঢুকে পড়ে। এর আগে দুর্বৃত্তরা ওই বাসভবনের নিরাপত্তাপ্রহরীকে বেঁধে প্রহরীকক্ষে তালা দিয়ে আটকে রাখে। ইউএনওর বাবা ওমর আলী (৭০) প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বের হন। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সকালে তিনি হাঁটতে বের না হওয়ায় সঙ্গীরা তাঁর খোঁজ নেওয়ার জন্য বাসভবনে যান। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তাঁরা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে ইউএনও, তাঁর বাবা ও প্রহরীকে উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁদের প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে ওয়াহিদাকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় নেওয়া হয়। তিনি এখন ঢাকার আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন