বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তখন পরিবারের লোকজনের চিৎকার শুনে প্রতিবেশী ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়। পরে শরীফুল হককে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

খবর পেয়ে নরসিংদী-২ আসনের সাংসদ আনোয়ারুল আশরাফ খান, পুলিশ সুপার কাজী আশরাফুল আজীম ও পৌর মেয়র আল-মুজাহিদ হোসেনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

জানতে চাইলে শরীফুল হক বলেন, ভোরের দিকে মুখোশধারী পাঁচ থেকে ছয় জন ডাকাত দেশীয় রামদা নিয়ে তাঁর বাড়ির সবাইকে জিম্মি করে ফেলে। পরে তাঁদের ঘরের আলমারি ভেঙে এক লাখ টাকা ও ২৫ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিতে গেলে তিনি বাধা দেন। এ সময় ডাকাতদের মধ্যে একজন তাঁর হাতে ও ঘাড়ে রামদা দিয়ে কোপ দেয়। একপর্যায়ে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন।

প্রতিবেশী তানজিরুল হক বলেন, ‘ভোরে চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে দেখি শরীফুল হক আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে আমরা সবাই মিলে তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করি। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে বাড়িতে আনা হয়েছে।’

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইলিয়াছ জানান, ঘটনাস্থল থেকে ওই সময়ের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন