বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত ১৪ জনের মধ্যে মো. মুবিন (৪০), নাঈম উদ্দিন (১৪), কবির আহমদ (২৮), মোহাম্মদ ফারুক (১৮) ও নিহত সুফিয়া বেগমের কন্যাশিশু আদিফার (৩) পরিচয় পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। এর মধ্যে মুবিন ও নাঈমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী ও হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজার বাস টার্মিনাল থেকে চট্টগ্রামগামী একটি বাস ছেড়ে যায়। অন্যদিকে চকরিয়া পৌর শহরের শহীদ আব্দুল হামিদ বাস টার্মিনাল থেকে আলীকদমের উদ্দেশে একটি জিপ গাড়ি ছেড়ে যায়। বাসটি ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ঝনঝইন্যা সেতু এলাকায় পৌঁছালে জিপ গাড়িকে ধাক্কা দিলে এটি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় পাশ দিয়ে যাওয়া একটি ইজিবাইক (টমটম) জিপের ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। তবে ইজিবাইকের কোনো যাত্রী আহত হননি।

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) শাহ ফাহিম আহমদ ফয়সাল বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
মালুমঘাট হাইওয়ে ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস, জিপ গাড়ি ও ইজিবাইক জব্দ করা হয়েছে। তবে এসব গাড়ির চালকেরা পালিয়ে গেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন