বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে গত রোববার কোর্ট হিলকে ‘পরীর পাহাড়’ লেখার ওপর কেন স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না জানতে চেয়ে মামলা করা হয়। মামলায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নাজমুল আহসান ও বাকলিয়া সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আতিকুর রহমানকে বিবাদী করা হয়েছে। ওই দিনই আদালত চারজনের কাছে তিন দিনের মধ্যে কারণ ব্যাখ্যা চেয়েছেন।
পরে আজ চারজনের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে সময়ের আবেদন করেন আইনজীবী। আদালত তা মঞ্জুর করে জবাব দেওয়া পর্যন্ত সময়ে কোথাও ‘পরীর পাহাড়’ না লেখা ও বলার জন্য নির্দেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার বাদী চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম জিয়া উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আদালত তিন দিনের মধ্যে বিবাদীদের জবাব দিতে বললে তাঁরা সময়ের আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করে কোথাও পরীর পাহাড় না লেখার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা দেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়, চট্টগ্রামের আদালত ভবন এলাকা শতবর্ষ থেকে কোর্ট হিল নামে পরিচিত। সরকারি বিভিন্ন দলিলপত্রেও এ নামটি রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুনে কোর্ট হিলের পরিবর্তে পরীর পাহাড় লেখা হচ্ছে। অথচ চট্টগ্রামের কোর্ট হিলে প্রথম যে লাল দালানটি হয়, সেটিকে চট্টগ্রামবাসীসহ দেশের মানুষ কোর্ট বিল্ডিং হিসেবে চেনে। আর পাহাড়টিকে (আদালত ভবন যে পাহাড়ে অবস্থিত) কোর্ট হিল বলেই সরকারি–বেসরকারি দলিলপত্রে লেখা হয়ে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে, ২০০৭ সালের ৫ নভেম্বর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক অনুমোদনপত্রেও এ এলাকাকে কোর্ট হিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন