বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, চলতি বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৭৫০ হেক্টর বাগানে লিচুর চাষ হয়েছে। স্থানীয় জাতের পাশাপাশি উন্নত জাতের বোম্বাই, চায়না-৩ ও মোজাফফর লিচুর চাষাবাদ করা হয়।

গতকাল সোমবার উপজেলার কালীপুর স্কুল গেটে দেখা যায়, সড়কের পাশে খুচরা ব্যবসায়ীরা লিচু বিক্রি করছেন। স্কুলের মাঠের উত্তর-পূর্ব কোণে পাইকারি দরে লিচুর বেচাকেনা চলছিল। এর আগে কালীপুরের পাহাড়ে লিচু বাগানে গিয়ে দেখা যায়, চাষিরা লিচু পাড়তে শুরু করেছেন। তবে অধিকাংশ গাছের লিচু এখনো পাকেনি।

লিচু ব্যবসায়ী মো. মোস্তাক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি তিন লাখ টাকা দিয়ে একটি বাগান কিনেছি। লিচু অল্প অল্প পাকতে শুরু করায় তা সংগ্রহ করে বিক্রি করছি। বাজার এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি।’ লিচু বাগানের মালিক মো. আবছার বলেন, ‘এখন অল্পসংখ্যক লিচু পেকেছে। সপ্তাহখানেক পর পুরোদমে লিচু বিক্রি করতে পারব।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু সালেক প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে আসতে শুরু করেছে মৌসুমি ফল লিচু। ফলটি পুরোপুরি বাজারে আসতে আরও কয়েক দিন সময় লাগবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, কালীপুরের লিচু রসাল ও টসটসে। বাজারে এর চাহিদাও ভালো। চাষিরা এবার লাভবান হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন