মমতাজিয়া দরবারের শাহজাদা মাওলানা মতি মিয়া মনছুর প্রথম আলোকে বলেন, রোববার তাঁদের ৩০ রোজা পূর্ণ হয়েছে। দরবার শরিফের অনুসারীরা প্রায় আড়াই শ বছর ধরে হানাফি মাজহাব অনুযায়ী, বিশ্বের যেকোনো দেশে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ সব ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করে আসছেন। তাঁদের পঞ্জিকা অনুযায়ী, যেহেতু রোজা ৩০টি পূর্ণ হয়েছে, তাই সোমবার তাঁরা ঈদ করবেন।

মির্জাখীল দরবার শরিফের মুখপাত্র মোহাম্মদ মছউদুর রহমান বলেন, ‘হানাফি মাজহাবের অনুসারী হিসেবে আমাদের নিকটবর্তী সময়ের কম ব্যবধান এবং আমাদের পূর্বের দেশসমূহে চন্দ্র দর্শন বিবেচনায়, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে চাঁদের অবস্থান জ্ঞাত হয়ে মক্কা ও মদিনা শরিফে তথা আরব বিশ্বে চাঁদ দেখার খবর পেয়ে সোমবার ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন করব।’

এ ছাড়া মমতাজিয়া দরবার শরিফ পরিচালিত ‘শাহ্সুফি মমতাজিয়া ইমাম কল্যাণ সোসাইটি’র উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন জেলার আরও দেড় শতাধিক মসজিদে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

দরবার শরিফ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের যেসব জায়গায় ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে সেগুলো হলো: চন্দনাইশের পশ্চিম এলাহাবাদ, কাঞ্চননগর, মাইজপাড়া, জুনিঘোনা, আব্বাসপাড়া, দিঘিরপাড়া, কাঞ্চননগর স্টেশন, কেন্দুয়ারপাড়া, মাঝেরপাড়া, দক্ষিণ কাঞ্চননগর, সৈয়দাবাদ, খুনিয়ারপাড়া, হাশিমপুর, কেশুয়া, সাতবাড়িয়া, মোহাম্মদপুর, হারালা, বাইনজুড়ি, বরকল, বরমা, চৌধুরীপাড়া, কসাইপাড়া, ফকিরপাড়া, পটিয়ার মল্লাপাড়া, হাইদগাঁও, শ্রীমাই, কাগজিপাড়া, বিনানীহারা, শান্তিরহাট, কালারপুল, শিকলবাহা, চরকানাই, বাঁশখালীর জলদি, কালিপুর, গুনাগড়ি, গন্ডামারার মিঞ্জিরিতলা, সনুয়া, সাধনপুর, আনোয়ারার তৈলার দ্বীপ, বাথুয়া, বারখাইন, বোয়ালখালীর চরণদ্বীপ, খরনদ্বীপ, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ, চুনতি, বরহাতিয়া, পুটিবিলা, উত্তর সুখছড়ি, আদুনগর, সাতকানিয়ার মির্জাখিল, বাংলাবাজার, মইশামুড়া, খোয়াছপাড়া, বাজালিয়া, কাঞ্চনা, গাঠিয়াডাঙ্গা, পুরাণগর, মলেয়াবাদ, রাঙ্গুনিয়ার পদুয়া, খুরুশিয়া গ্রাম।

এ ছাড়া চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড, সন্দ্বীপ, মিরসরাই, হাটহাজারী, উখিয়া, বান্দরবান, আলীকদম এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন