বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘চট্টগ্রামে মোট জনসংখ্যার বিচারে সব মিলিয়ে ৪০ শতাংশ লোককে প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। সংখ্যার বিচারে তা ৪০ লাখের কাছাকাছি। এ ছাড়া দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছেন প্রায় ২৯ লাখ মানুষ, যা প্রায় ৩০ শতাংশ। হার্ড ইমিউনিটি আনতে হলে আরও টিকাকরণ করতে হবে। তাই আমরা নিবন্ধন ছাড়া বিভিন্ন জনগোষ্ঠীকে টিকা দিচ্ছি।’
বর্তমানে ট্রাকশ্রমিকদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। জানুয়ারিতে রিকশা ও অটোরিকশাচালকদের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন।

সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৬৯ লাখ ৯ হাজার ২০০ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ১২ লাখ ব্যক্তি টিকা নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। পর্যায়ক্রমে তাঁদেরও টিকা দেওয়া হবে।

টিকাদানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বলছেন, টিকাদানের ক্ষেত্রে নগরের জনগোষ্ঠী কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। এ জন্য বর্তমানে কমিউনিটি হাসপাতালসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে টিকাদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য অধিকার রক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দিতে না পারলে হার্ড ইমিউনিটি হবে না। করোনার বিরুদ্ধে প্রতিরোধব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে শিশুসহ সবাইকে টিকার আওতায় আনা দরকার।

এদিকে বুস্টার ডোজ দেওয়ার বিষয়ে রোববার টিকাদানকর্মীদের একটি অনলাইন সভা হবে। কবে নাগাদ চট্টগ্রামে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই সভায় ঠিক হবে বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন