বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার কমিউনিটি হাসপাতালে করোনার টিকা দেওয়া হয়েছিল। এবার আরও প্রান্তিক পর্যায়ে টিকাদানের ব্যবস্থা করা হলো।

চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় গতকাল শনিবার এ কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রোববার সীতাকুণ্ড ও লোহাগড়া উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের টিকাদান উপকেন্দ্রে ওই টিকা দেওয়া শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কাছে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

জেলা সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান বাড়াতে চায় সরকার। এ জন্য ওয়ার্ড পর্যায়ের ইপিআই কেন্দ্রে নিয়মিত টিকার পাশাপাশি করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে। যেদিন অন্যান্য টিকা দেওয়া হবে, তার পরদিন করোনার টিকা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ওয়ার্ডের টিকাদান উপকেন্দ্রে করোনার প্রথম ডোজের এক মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, একটি ইউনিয়নে তিনটি করে ওয়ার্ড। প্রতিটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ তিনটি করে টিকাদান উপকেন্দ্র রয়েছে। কোনোটিতে জনসংখ্যা কম হলে দুটি উপকেন্দ্র থাকে। সেই হিসাবে এক ইউনিয়নে ২৭ বা ১৮টি টিকাদান উপকেন্দ্র রয়েছে। প্রতি মাসের নির্দিষ্ট সময় টিকাদান কার্যক্রম চলে এসব কেন্দ্রে। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা পর্যায়ক্রমে সব উপকেন্দ্রে গিয়ে টিকাদান করেন।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনার টিকাদানের জন্য তালিকা করবেন।

নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর সংগ্রহ করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের টিকা দেওয়া হবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে দেওয়া হবে চীনের তৈরি সিনোভ্যাকের টিকা।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সব্যসাচী নাথ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওয়ার্ড পর্যায়ে টিকা দেওয়ার নির্দেশনা এসেছে। সে অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। টিকা পাওয়ামাত্র তা দেওয়া শুরু হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন