বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শী ইকবাল মাহমুদ প্রথম আলোকে জানান, ওই শিশু সড়কের পশ্চিম থেকে পূর্ব পাশে পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকামুখী একটি কাভার্ড ভ্যান বেপরোয়া গতিতে এসে শিশুটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে সে মারা যায়।

এদিকে ওই শিশুর মৃত্যুর প্রতিবাদে ঘটনার পরপরই বেলা দেড়টার দিকে বিক্ষুব্ধ লোকজন সড়ক অবরোধ করেন। সড়কের মাঝখানে পড়ে থাকা শিশুর লাশ কাপড় দিয়ে ঢেকে দুই শতাধিক লোক সেখানে বিক্ষোভ করেন। পরে বেলা দুইটার দিকে ইপিজেড থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ লোকজনকে সরিয়ে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

default-image

ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ব্যক্তিরা ১০ মিনিটের মতো সড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাঁরা অবরোধ তুলে নেন। তবে ওই কাভার্ড ভ্যান শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই সড়কে প্রতিটি গাড়ি ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে চলে। আবার কখনো কখনো চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) সড়কটির একমুখী লাইন বন্ধ করে অপরমুখী লেন দিয়ে উভয় দিকে গাড়ি চালনা করায়। এতে করে এলোমেলোভাবে গাড়ি চলতে থাকে। ফলে সপ্তাহের প্রতিদিনই কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কের ওই অংশে গতিরোধক অথবা ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।

জানতে চাইলে মো. কবিরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় ব্যক্তিরাই প্রভাব খাটিয়ে সেখানে সড়কবিভাজকে পকেটগেট তৈরি করতে বাধ্য করেছেন। এই পকেটগেট দিয়ে মানুষ আসা–যাওয়া করায় দুর্ঘটনা ঘটছে। তবে সড়কের এই অংশে গতিরোধক নির্মাণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে সিডিএর সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন