বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৫ সালের ১৭ মে নগরের পতেঙ্গা কাঠগড় এলাকায় সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে আবদুল নবীকে খুন করা হয়। এই ঘটনায় নিহত আবদুল নবীর ভাই জাহিদুল আলম বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। ২০০৬ সালের ১৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এই মামলার বিচার শুরু হয়।

সন্দ্বীপে হত্যা মামলায় ১১ জনের যাবজ্জীবন

এদিকে জেলার সন্দ্বীপের মগধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং তাঁর ভাইসহ ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম মোজাম্মেল হক এ রায় দেন।

দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মগধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান, তাঁর ভাই আবদুর রহমান, মগধরা ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. জামাল, আবদুর রহমান, মো. আহসানুল্লাহ, আলতাফ হোসেন, মো. মেহরাজ, আবদুল মানান, মো. আশরাফ, মো. ফারুক ও মো. ফুল মিয়া। তাঁদের মধ্যে আবদুর রহমান ও আশরাফ পলাতক। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে দেন আদালত।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি মো. আইয়ুব খান প্রথম আলোকে বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত যাবজ্জীবন সাজা দেন।

আদালত সূত্র জানায়, মগধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ও একই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রবিউল মেম্বারের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জেরে আসামিরা রবিউলের বড় ভাই মনিরকে ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই পরিকল্পিতভাবে খুন করেন। এ ঘটনায় নিহত মনিরের ছোট ভাই রবিউল আলম পরদিন ২২ জনের নাম উল্লেখ করে সন্দ্বীপ থানায় মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মো. আক্তারুজ্জামান ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগ গঠনের পর আদালত ২০ সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে এই রায় দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন