বিজ্ঞাপন

জেলেরা জানান, মাছ ধরার অপেক্ষায় রয়েছেন উপকূলের ১০ হাজারের বেশি জেলে। তাঁদের সব রকম প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। সাগরে প্রায় সব মা মাছই নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ডিম ছেড়ে দিয়েছে। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে জেলেদের জালে যে হারে ইলিশ ধরা পড়েছিল, এখন তার চেয়ে বেশি ইলিশ জালে আটকা পড়তে পারে।

জেলেরা নৌকা ও জাল মেরামতসহ সব রকম প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। কয়েকটি ঘাটে দ্বিগুণ শ্রমিক ও মজুরি দিয়ে নৌকা ও জাল মেরামতের কাজ করা হচ্ছে। অনেকে নৌকায় জাল ওঠানোর কাজ করছেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে আনোয়ারা উপকূলে গিয়ে দেখা যায়, রায়পুরের দোভাষী বাজার, ওয়াহেদ আলী চৌধুরী হাট ও ফকির হাট থেকে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনার পাশাপাশি ওষুধ কিনতে ব্যস্ত জেলেরা।

দোভাষী বাজারের ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহীম বলেন, নৌকাগুলোর জেলেরা একেকটি ট্রিপের জন্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকার মালামাল কিনেছেন। রায়পুর ইউনিয়ন মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি আবদুছ সোবহান বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর জেলেরা সমুদ্রে যাবেন। উপকূলজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে যেসব জেলে নদীতে মাছ শিকারে গেছেন, তাঁরা ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আটক হয়ে জেল-জরিমানার মুখোমুখি হয়েছেন। সবশেষ ৬ জুলাই উপজেলার উঠান মাঝির ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৯ মণ মাছ জব্দ করে প্রশাসন।

উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল হক বলেন, আনোয়ারা উপকূলে ১০ হাজার জেলে সাগরে মাছ ধরার অপেক্ষায় আছেন। ২৩ জুলাই রাতে নিষেধাজ্ঞা শেষে নৌকাগুলো সাগরে চলে যাবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন