default-image

চট্টগ্রামে পুলিশের এক সদস্যকে ছুরিকাঘাত করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন দুই ছিনতাইকারী। তাঁরা হলেন ইমাম হোসেন ওরফে ইমন (৩৫) ও আরাফাত হোসেন ওরফে সুমন (৩৫)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী ছোট কালীবাড়িসংলগ্ন দাসপাড়ার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ছিনতাইকারীদের হামলায় আহত হয়েছেন আকবর শাহ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইসমাইল, সুপল চন্দ্র ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নিখিল চন্দ্র দাশ। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গুলিবিদ্ধ দুই ছিনতাইকারী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নগর পুলিশের উপকমিশনার (পশ্চিম) আবদুল ওয়ারীশ রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ছিনতাইকারী দলের নেতা ইমনের নেতৃত্বে ছিনতাইকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে নগরে ছিনতাইয়ে নেমেছে খবর পেয়ে আকবর শাহ থানা-পুলিশের একটি দল অভিযানে নামে। বিষয়টি বুঝতে পেরে ছিনতাইকারীরা গাড়ি পরিবর্তন করে ফেলে। পরে পুলিশ একটি গ্যারেজে গিয়ে গাড়ি শনাক্ত করে। অভিযানে থাকা আকবর শাহ থানার এসআই সুপল ছোট কালীবাড়িসংলগ্ন দাস পাড়ার সামনে ছিনতাইকারীদের দেখতে পেয়ে ধাওয়া দেন। ওই সময় তাঁকে একা পেয়ে জবাই করার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা। বিষয়টি কিছুটা দূর থেকে বুঝতে পেরে অভিযানে থাকা অন্য পুলিশ সদস্যরা শটগানের গুলি ছুড়তে থাকেন। এতে দুই ছিনতাইকারী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি উদ্ধার হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (পশ্চিম) এ এ এম হুমায়ন কবির বলেন, ছিনতাইকারী ইমনের বিরুদ্ধে আকবর শাহ থানাসহ নগরের বিভিন্ন থানায় ছিনতাই, অস্ত্র, ডাকাতির অভিযোগে ১৪টি মামলা রয়েছে। আরাফাতের বিরুদ্ধে একটি। দলের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

এর আগে ১৮ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরের লালখান বাজার এলাকায় ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে আহত হন কলেজছাত্র সাফায়েত হোসেন (১৯)। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শরীরে ১৪টি ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। সাফায়েতের কাছ থাকা একটি মুঠোফোন ছিনিয়ে নিতে চাইলে বাধা দেন। তখনই উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করা হয়। তিনি পাহাড়তলী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরে এ ঘটনায় সাত ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

সাফায়েত পড়াশোনার পাশাপাশি জিইসি মোড়ে একটি জুতার দোকানে খণ্ডকালীন কাজ করেন। কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে এ ঘটনার শিকার হন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন