বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বায়েজীদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাত ৯টার দিকে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে শেরশাহ কলোনির সরকারি কোয়ার্টার এলাকায় যান ওই পোশাককর্মী। এ সময় ওই পোশাককর্মীর পূর্বপরিচিত ব্যক্তিকে আটক করেন মেহেদী ও সাইফুর। একপর্যায়ে তাঁরা পোশাককর্মীর পূর্বপরিচিত ব্যক্তিকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। পরে মেহেদী ও সাইফুর ওই পোশাককর্মীকে জোর করে পাশের একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন তাঁরা। এ সময় আলম বাইরে পাহারা দিচ্ছিলেন।

ওসি কামরুজ্জামান আরও বলেন, ধর্ষণের পর আসামিরা পোশাককর্মীর পূর্বপরিচিত ব্যক্তিকে ধরে এনে ওই নারীর পাশে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলেন। এই ছবিগুলো দিয়ে তাঁরা ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছিলেন। ওই নারী থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিন আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন