বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হক আজ প্রথম আলোকে বলেন, অস্ত্রবাজির ওই ঘটনায় মহিউদ্দিন ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনকে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১৪ নভেম্বর মহিউদ্দিন আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠান। পরে আজ বাকলিয়া থানা–পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদালতে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

ওসি আরও বলেন, মহিউদ্দিনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার দিন ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও জড়িত আরও কয়েকজনকে শনাক্তের চেষ্টা করা হবে।
গত ৮ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় ‘অস্ত্রধারীরা ধরা পড়ে না’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে অস্ত্রধারীদের মধ্যে মহিউদ্দিনের কথাও বলা হয়।

গত ১১ জুন চট্টগ্রামের বাকলিয়া কালামিয়া বাজার আবদুল লতিফ হাটখোলা রোডে বড় মৌলভিবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে ‘বিনা মূল্যে কবর দেওয়া হয়’ লেখা সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে স্থানীয় সাইফুল্লাহ মাহমুদের পরিবারের ওপর আক্রমণ চালান স্থানীয় মো. এয়াকুব বাহিনীর লোকজন। তখন দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হন চারজন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার দিন এয়াকুব ও তাঁর সহযোগী জাহেদুল এবং ওয়াসিমের হাতে ছিল পিস্তল, মহিউদ্দিনের হাতে ছিল একনলা বন্দুক। এলজি ছিল আলী আকবর ও নেজামের হাতে। জায়গা দখলসহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে তাঁরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করে থাকেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন