বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি বেলায়েত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ও পরিবহনের ভাড়া সমন্বয়ের দাবিতে ধর্মঘট ডাকা হয়েছিল। কিন্তু এ সুযোগে একটি পক্ষ রাস্তায় নেমে পিকেটিং শুরু করে অ্যাম্বুলেন্সসহ সাধারণ যানবাহনও আটকে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে হয়, বিরোধী একটি পক্ষ এ কাজ করছে। আমরা তো ধর্মঘট ডাকিনি। তাই সাধারণ যানবাহন আটকাতে পারি না। এ কারণে আমাদের সিদ্ধান্ত, আগামীকাল রোববার সকাল ৬টা থেকে আমাদের গাড়ি চলবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে বেলায়েত হোসেন বলেন, ১৫টি রুটে তাঁদের প্রায় ৪০০ বাস ও হিউম্যান হলার রয়েছে। কোনো গাড়িকে চলতে বাধা দিলে সেটা প্রশাসন দেখবে।

default-image

এদিকে চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ সারা দেশের মতো চট্টগ্রামেও ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে। ঢাকায় রোববার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত দেবেন, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবেন তাঁরা। সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তাঁদের কোনো গাড়ি চলবে না।

এ সংগঠনের মহাসচিব গোলাম রসুল বলেন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পরিবহন মালিক গ্রুপ গাড়ি চালানোর ঘোষণা দিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করেছে। তাদের গাড়ির সংখ্যা খুব কম। কাউন্টারভিত্তিক কিছু গাড়ি চলে। তাঁরা এ সিদ্ধান্ত মানেন না।

পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন আজ শনিবারও চট্টগ্রাম নগরীতে ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ। অনেকেই যানবাহন না পেয়ে হেঁটে গন্তব্যে যায়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা নানা ঝক্কি পোহায়। সাধারণ মানুষের অভিযোগ, গণপরিবহন না থাকার সুযোগে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশার চালকেরা বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন