বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দণ্ডাদেশের রায় দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আসামিকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আদালত সূত্র জানায়, পোশাকশ্রমিক আশামণির সঙ্গে আলেক শাহর ২০০৮ সালে বিয়ে হয়। তাঁদের এক কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৬ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে আশামণি (২৫) খুন হন।

আশামণি খুনের ঘটনায় তাঁর বাবা লুৎফর রহমান নগরের ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় আলেক শাহকে আসামি করা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ ২০১৬ সালের ৬ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।

পরের বছরের ১২ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে এ মামলার বিচারকাজ শুরু হয়।

১২ জনের সাক্ষ্য শেষে আজ আদালত রায় ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন