সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সমিতির ভবন নির্মাণের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের ভবন তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক–সংলগ্ন আরও ভবন, যেমন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) ভবন, নিউমার্কেট, জিপিও, এমনকি সম্প্রতি জেলা প্রশাসক নির্মিত কালেক্টরেট মসজিদ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা বিষয়ে (কি পয়েন্ট ইন্সটেলশন-কেপিআই) নীতিমালা হয় ২০১৩ সালে। বক্তারা বলেন, ১৩০ বছরে জেলা প্রশাসন ও আইনজীবী সমিতি পাশাপাশি সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে অবস্থান করে আসছিলেন। ভবন নির্মাণের সময় সাবেক জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াসহ অন্য প্রশাসকেরা সমিতির ভবন নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ এইচ এম জিয়া উদ্দিন বলেন, ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি ভবন নির্মাণের জন্য তাদের ভূমি লিজ দিয়েছিলেন। পরে ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা থেকে অনুমোদন নেওয়া হয়। কোর্ট হিল বা আদালত ভবনকে পরীর পাহাড় না লিখতে বা বলতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে এবং সাইনবোর্ডে উদ্দেশ্যমূলকভাবে কোর্ট হিলকে পরীর পাহাড় লিখছেন বর্তমান জেলা প্রশাসক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আইনজীবী ও তাঁদের ভবনের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অপপ্রচার কিংবা মিথ্যাচারের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম আদালত ভবন পরীর পাহাড় নামে পরিচিত। এটিকে হেরিটেজ (ঐতিহ্য) হিসেবে সংরক্ষণের জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। সরকার যেভাবে নির্দেশনা দিচ্ছে, সেভাবে কাজ করা হচ্ছে। এখানে ব্যক্তিগত কোনো কিছু নেই।

সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাবেক সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী, এ কে এম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এ এস এম বদরুল আনোয়ার, সৈয়দ মোক্তার হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আখতার, মনতোষ বড়ুয়া, জিয়া উদ্দিন আহাম্মদ, আইয়ুব খান প্রমুখ।

এ ছাড়া বর্তমান সভাপতি আবু মোহাম্মদ হাশেম, সিনিয়র সহসভাপতি শফিক উল্লাহ, সহসভাপতি আজিজ উদ্দিন হায়দার, সহসম্পাদক এরশাদুর রহমান, অর্থ সম্পাদক সালাউদ্দিন মনসুর চৌধুরী, পাঠাগার সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক লায়লা নূর ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক মেজবাহউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন