বিজ্ঞাপন

চট্টগ্রাম বন্দরের পর্ষদ সদস্য জাফর আলম প্রথম আলোকে বলেন, পূর্ণিমার জোয়ারে পানির উচ্চতা বাড়লেও বন্দরে পানি ওঠে না। তবে এবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবের পাশাপাশি একই সময়ে পূর্ণিমার জোয়ার থাকায় বন্দর চত্বরের মহেশখাল এলাকার অংশে পানি ঢুকেছে। তবে তা নেমে গেছে। কনটেইনারে বাতাসরোধী ব্যবস্থা থাকায় পানি ঢুকে পণ্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা নেই।

এর আগে বন্দরে অন্তত তিন–চারবার জোয়ারের পানি ওঠার রেকর্ড রয়েছে। জোয়ারের সময় ভারী বর্ষণ বা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বন্দরে কনটেইনার রাখার চত্বরে পানি ওঠে। গত বছরের আগস্টে ভারী বর্ষণ ও পূর্ণিমার জোয়ারে বন্দর চত্বরে পানি উঠেছিল।

বন্দর কর্মকর্তারা জানান, ভাটার সময় কর্ণফুলী নদীর পানির যে উচ্চতা থাকে, সেখান থেকে সাড়ে সাত মিটার উঁচু বন্দরের জেটি। আজ জোয়ারের সময় প্রায় জেটির সমান উচ্চতার কাছাকাছি পানি উঠেছে। তবে জেটি উপচে জোয়ারের পানি ভেতরে ঢোকেনি। বন্দরে কনটেইনার থেকে বের করে রাখা পণ্যের গুদামেও পানি ঢোকেনি।

বন্দর ব্যবহারকারীরা জানান, জোয়ারের পানির উচ্চতা বাড়ার বিষয়টি মাথায় রেখে বন্দরের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, না হলে পণ্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন