জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পাঁচটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩২ জন। এর মধ্যে ফতেপুর ইউপিতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. হেলাল উদ্দিন দুলাল, এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন দলের উপজেলা শাখার সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান প্রবোধ চন্দ্র রায়, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক জিয়াউল হক তুহিন। পলাশ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল আলম সিদ্দিকী। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুহেল আহমদ।

সলুকাবাদ ইউপিতে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. মহরম আলী। ধনপুর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হযরত আলী এবং বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম এবং মিলন মিয়া। এই উপজেলার বাদাঘাট দক্ষিণ ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জামাল হোসেন। এখানে দলের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।

দিরাই উপজেলার ৯টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে ৬০ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রফিনগর ইউপিতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন শৈলেন কুমার তালুকদার। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান রেজুয়ান হোসেন খান, জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী।
ভাটিপাড়া ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান চৌধুরী। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শাহজাহান কাজী, বদরুল ইসলাম, চৌধুরী মিফতা, রুহুল আমিন তালুকদার ও বিজিত চন্দ্র দাস। রাজানগর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. সফিকুল হক তালুকদার। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জহিরুল ইসলাম ও নওশেরান চৌধুরী। চরনারচর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জগদীশ সামন্ত। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন পরিতোষ রায় ও পরেশ লাল রায়।

দিরাইয়ের সরমঙ্গল ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন রঞ্জিত রায়। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান এহসান চৌধুরী, কানু লাল দাস, সেলিম মিয়া, আবুল বাশার ও তপন দাস। জগদল ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মো. হুমায়ুন রশীদ। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শিবলি আহমেদ। তাড়ল ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. আহম্মদ চৌধুরী। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুছ ও আকিকুর রেজা।

কুলঞ্জ ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. মিলন মিয়া। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন পবিত্র মোহন দাস ও চান মিয়া চৌধুরী। এই উপজেলার করিমপুর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন লিটন চন্দ্র দাস। এখানে দলের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।
জগন্নাথপুর উপজেলার সাতটি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৪০ জন। তাঁদের মধ্যে পাটলী ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. আঙ্গুর মিয়া। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বর্তমান চেয়ারম্যান সিরাজুল হক ও আবদুল হাই আজাদ।

চিলাউড়া-হলদিপুর ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবদুল গফুর। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন বর্তমান চেয়ারম্যান আরশ আলী, শহীদুল ইসলাম বকুল ও আবদুল মুমিন। রানীগঞ্জ ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলের ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক শেখ মো. ছদরুল ইসলাম। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম রানা।

সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মোহাম্মদ আবুল হাসান। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন মকছুদ কোরেশী, আজহার কামালী ও মুকিতুর রহমান। আশারকান্দি ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন দলের ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো. আবদুছ ছত্তার। বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান ও দলের ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আয়ূব খান, শেখ জমিরুল ইসলাম ও আবু বকর।

পাইলগাঁও ইউপিতে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন মো. সুন্দর আলী। বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন সাবেক চেয়ারম্যান মখলিছ মিয়া ও ফারুক আহমদ। উপজেলার কলকলিয়া ইউপিতে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন দলের ইউনিয়ন কমিটির যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক মো. আলাল হোসেন। এখানে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন