বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শের-ই–বাংলা মেডিকেলের পরিচালক এইচ এম সাইফুল ইসলাম জানান, গাইনি বিভাগে ভর্তির পর প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে ওসিসিতে পাঠানো হয়। তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশুটি আশঙ্কামুক্ত বলে জানান তিনি।

বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন বলেন, শিশু ধর্ষণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়। শিশুটির চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খবর নিয়েছেন তাঁরা। তবে এ ঘটনায় এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

শিশুটির দিনমজুর বাবা বলেন, ‘অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিন ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। তাই রক্ত সংগ্রহের জন্য চেষ্টা করছি। চিকিৎসা করাতে ব্যস্ত থাকায় এখনো থানায় অভিযোগ দিতে পারিনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন