ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সুজিত চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘একজন পলিটিক্যাল কর্মী ট্রেনের আসন সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন। এ কারণে কয়েকজন শিক্ষার্থী তাঁকে ট্রেনের ওই বগি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে নামিয়ে দেন। পরে ওই কর্মী ট্রেনের অন্য বগিতে ওঠেন। ট্রেনটি ফতেয়াবাদ এলাকায় পৌঁছালে ওই কর্মী তাঁর কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে ট্রেন আটকে দেন। তাঁকে যাঁরা নামিয়ে দিয়েছিলেন, তাঁদের খুঁজতে থাকেন। কিন্তু তাঁদের না পেয়ে হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই তাঁরা আমাকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেন। পরে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিই। আমার মাথায় ১২টি সেলাই দিতে হয়েছে।’

মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে সিক্সটি নাইন বগির নেতা ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। তবে বিস্তারিত কিছুই জানেন না তিনি। মারধরের শিকার শিক্ষার্থী জানালে, তিনি জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, অভিযোগ পেলে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন