বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাকি তিনজন পালিয়ে যান। জুনায়েদকে আটকের পর তাঁর মুঠোফোন জব্দ করেন প্রক্টর। এরপর আজ রোববার বাকি তিনজনকে নিয়ে তাঁকে ক্যাম্পাসে আসার নির্দেশ দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে আজ অভিযুক্ত কাউকে ক্যাম্পাসে দেখা যায়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাস্থলে আরও ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রুবেল হাসান, দর্শন বিভাগের ইমন আহাম্মেদ ও আর এইচ রাজু। তাঁরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি ছাত্রলীগের উপপক্ষ চুজ ফ্রেন্ডস উইথ কেয়ারের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগের বিষয়ে জানতে রুবেল ও ইমনকে কয়েকবার ফোন করলেও তাঁরা সাড়া দেননি।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। এখন খোঁজ নিচ্ছেন। অপরাধ করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে। তবে আদতে তাঁরা ছাত্রলীগ করেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

প্রক্টর রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, ছাত্রীদের লিখিত অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি ও নিপীড়ন নিরোধ কেন্দ্রে পাঠানো হবে। ওই চার ছাত্রের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

হেনস্তার বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা সিরাজ উদ দৌল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রীদের অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিরোধ কেন্দ্রে তিনি সুপারিশ করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন