মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের আবু মুছা খাঁ চরমপন্থীদের উপজেলা পর্যায়ের নেতা ছিলেন। পাশাপাশি সাইকেল মেরামতের কাজ করতেন। ধীরে ধীরে চরমপন্থা ছেড়ে দিচ্ছিলেন। ২০০৩ সালের ১৩ আগস্ট সকালে সাইকেল মেরামতের দোকানে কাজে যাচ্ছিলেন মুছা খাঁ। পথিমধ্যে ১০ থেকে ১২ জন তাঁকে অপহরণ করে হাটবাড়ীয়া-বোয়াইলমারীর ডাব বাগানের ভেতরে নিয়ে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁর মাথা ও বুকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। এ সময় তাঁর চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যান। পরে গুরুতর জখম অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মুছাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রহিমা খাতুন বাদী হয়ে ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। এরপর আদালত মামলাটির দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য–প্রমাণ গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দেওয়ান মজনুন হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভিকটিম ও আসামিরা সবাই চরমপন্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। চাঁদার টাকার ভাগ–বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল। মামলার আসামিরা সবাই চরমপন্থী হওয়ায় সাক্ষী দিতে অনেকেই ভয় পেয়েছিলেন। এতে মামলার কার্যক্রম কিছুটা দীর্ঘায়িত হয়েছে। তবে মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন