বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জেলা আওয়ামী লীগের নেতারা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকসহ রেল বাঁচাও আন্দোলন কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় রেল মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রেলের উন্নয়নে সরকার সারা দেশে রেল যোগযোগব্যবস্থা ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে। বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর নির্মাণকাজ চলছে। পদ্মা সেতুতেও রেল সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রতিটি জেলায় রেল যোগাযোগব্যবস্থা চালুর জন্য সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, সিরাজগঞ্জে আইসিটি টার্মিনাল (অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল) নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে রেলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি করা হবে। সিরাজগঞ্জবাসীর অন্য দাবিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘১৯ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেকোনো দিন সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি চালু হবে। সিরাজগঞ্জ শহর হয়ে বগুড়া পর্যন্ত রেল সংযোগ প্রকল্পটিও অনেক দূর এগিয়েছে।’

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ শামসুদ্দিন সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসক ফারুক আহাম্মদের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন সিরাজগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ হাবিবে মিল্লাত, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম রেজা, সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হোসেন আলী, চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট আবু ইউসুফ, আওয়ামী লীগের নেতা বিমল কুমার, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, কামারখন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল্লাহ প্রমুখ।

২০১৩ সালে সিরাজগঞ্জ-ঢাকা রুটে একমাত্র আন্তনগর ট্রেন সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস চালু করা হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী বিধিনিষেধ শুরুর পর থেকে সারা দেশের অন্য ট্রেনগুলোর মতো সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনও বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর সারা দেশের সব ট্রেন চালু হলেও এই ট্রেন বন্ধ থেকে যায়। ট্রেনটি চালুর দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন সিরাজগঞ্জবাসী। এ অবস্থায় আজ স্থানীয় রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন রেলপথমন্ত্রী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন