বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অথচ বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী পাখি শিকারের জন্য এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। তা ছাড়া একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটালে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শাহীন আলম, শফিক, রাকিব হোসেন ও হান্নান বকের ফাঁদ পেতে প্রতিদিন ৮০ থেকে ১২০টি বক শিকার করছেন। অভিযুক্ত শাহীন আলম বলেন, স্থানীয় হাটবাজারে এক জোড়া বক ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়। তবে পাখিনিধন যে অপরাধ, এ বিষয়ে জানেন না তাঁরা।

গুরুদাসপুর শহীদ সামসুজ্জোহা সরকারি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক আলী আকবর বলেন, বকসহ অন্য পাখি ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ খেয়ে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। এভাবে পাখি ধরার মচ্ছব বন্ধ করতে হবে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, গত বছর নানা সচেতনতামূলক প্রচার–প্রচারণা চালানো হলেও এ বছর জনবলসংকটের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।

রাজশাহী বিভাগীয় বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির আজ রোববার মুঠোফোনে জানান, ১৬ জেলা নিয়ে তাঁদের কাজ করতে হয়। এ কারণে সব এলাকায় দায়িত্ব পালন করা কঠিন। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন