বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটককৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার পলাশী গ্রামের শাহাদৎ হোসেন (৪০), মহাতাব প্রামাণিক (৪৫) এবং দিঘরিয়া গ্রামের নাজমুল ইসলাম (৩৫)। এই তিনজনসহ পাখিগুলো বিয়াস বাজারে অবস্থান করা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় সিংড়ার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রকিবুল হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তিন শিকারিকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে প্রত্যেককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
উদ্ধারকৃত পাখিগুলো সকাল সাড়ে ১০টায় চলনবিল গেট এলাকার একটি পাখি কলোনিতে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় পাখি শিকারের পাঁচটি কিল্লা ধ্বংস করেন পরিবেশকর্মীরা।

অভিযানে অংশ নেন চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি আখতারুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহসভাপতি হাসান ইমাম, সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী জুলহাস কায়েম, খান মো. শারফুল ইসলাম, জুবায়ের হক, আবু বকর সিদ্দিক, আবু কাহার প্রমুখ।

চলনবিল জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্ষার শেষভাগে চলনবিলে মাছের সঙ্গে পাখির আনাগোনা বেড়ে গেছে। আর সেই সঙ্গে কিছু লোভী পাখি শিকারি বিলের ধানখেতে কলা-খেজুরপাতা দিয়ে বিশেষভাবে তৈরি কিল্লা ঘরে শত শত পাখি শিকারে মেতে উঠেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন