বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আহত দুজন ও তাঁদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপবন এক্সপ্রেস ঢাকার কমলাপুর থেকে শুক্রবার রাত ৮টা ৩০ মিনিটে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। ট্রেনটি পৌনে ১০টার দিকে গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশনে পৌঁছায়। ট্রেনটি স্টেশনে প্রবেশ করার আগমুহূর্তে মাঝখানের একটি বগিতে পরপর বেশ কিছু ঢিল ছোড়া হয়। দুর্বৃত্তরা ঢিল হিসেবে স্লিপারে থাকা পাথর ব্যবহার করে। এতে বগিটির ভেতরে অবস্থান করা চার যাত্রী আহত হন।

পাথর নিক্ষেপে নরসিংদীর দুই যাত্রী কবির মিয়া ও শুক্কুর আলীর চোখের নিচে গালের ওপরের অংশে জখম হয়েছে। প্রায় ৩০ মিনিট পর ট্রেনটি নরসিংদী স্টেশনে যাত্রাবিরতি দিলে আহত ব্যক্তিদের স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাঁদের নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালটির জরুরি বিভাগে তাঁদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহত বাকি দুজন ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেবেন বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

দুর্ঘটনার সময় আহত শুক্কুর আলীর সহযাত্রী ছিলেন তাঁর বড় ভাই রহমত উল্লাহ। তিনি বলেন, ‘আমরা বেনারসি শাড়ির কারিগর। পাঁচজন মিলে তৈরি করা কিছু শাড়ি রাজধানীর মিরপুরে বিক্রির পর ওই ট্রেনে করে বাড়ি ফিরছিলাম। ঢিল ছোড়া পাথর দুজনের চোখের সামান্য নিচে লাগে, একজনের হাতে ও অন্যজনের মাথায় এসে লাগে।’

নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক নাদিরুল আমিন বলেন, ট্রেনে ভ্রমণকালে দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে আহত দুজনকে তাঁরা চিকিৎসা দিয়েছেন। অল্পের জন্য তাঁদের চোখ রক্ষা পেয়েছে।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. ইমায়েদুল জাহেদী এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন