বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তাঁদের অভিযোগ, চার্চের সম্পদে দুর্নীতি হয়েছে। এর প্রতিবাদ করায় তাঁদের একঘরে করে রাখা হয়েছে। চার্চসহ খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের যত সংগঠন আছে, প্রতিটি সংগঠনে চিঠি দিয়ে তাঁদের অবাঞ্ছিত করা হয়েছে। তাঁরা কোনো অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন না। কেউ তাঁদের সঙ্গে কথা বলে না।

শলোমন মণ্ডল বলেন, চাঁদপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চের জমি আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৯ সালের মার্চে চার্চের সম্পাদক লিয়র প্রতিম সরকার, তাঁর স্ত্রী লেসলি সরকার, চাঁদপুর সদরের সাবরেজিস্ট্রার জসিম উদ্দিনসহ মোট আটজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেন তিনি। এর জেরে তাঁদের একঘরে করা হয়েছে।

শলোমন মণ্ডল জানান, ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি চাঁদপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চকে একটি চিঠি দেন বাংলাদেশ ব্যাপ্টিস্ট চার্চ ফেলোশিপের (বিবিসিএফ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কাজল কে সেনগুপ্ত। তাতে তাঁদের বহিষ্কারের আহ্বান জানানো হয়। এরপর থেকে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কোনো অনুষ্ঠানে তাঁরা অংশ নিতে পারেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন