default-image

চাঁদপুর সরকারি ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ ঘণ্টায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়ে এবং বাকি পাঁচজন করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

চাঁদপুর সদর হাসপাতালের করোনাবিষয়ক ফোকাল পারসন চিকিৎসক সুজাউদ্দৌলা রুবেল বলেন, হাজীগঞ্জের বাকিলা এলাকার সিরাজুল ইসলাম (৭০) ১৬ এপ্রিল দুপুরে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আজ সোমবার বেলা ১টা ৫০ মিনিটে তিনি আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে গণ্ডামারা হাইমচরের বাসিন্দা জাকির হোসেন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান। তিনি গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে চারটায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হন। পরে তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

৭ জনের মধ্যে দুজন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়ে এবং বাকি পাঁচজন করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সুজাউদ্দৌলা আরও বলেন, পুরানবাজারের জাফরাবাদ এলাকার বাসিন্দা মিলন গাজী (৭০) আজ বেলা দুইটার দিকে মারা যান। তিনি গতকাল বেলা ১১টা ২০ মিনিটে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে তাঁর করোনা টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। চাঁদপুর শহরের মাদ্রাসা রোডের বাসিন্দা সৈয়দুন্নেছা (৭০) আজ বেলা পৌনে তিনটার দিকে মারা যান। তিনি আজই বেলা পৌনে দুইটার দিকে হাসপাতালে আসেন। এ ছাড়া বেলা সাড়ে তিনটার দিকে মারা যান চাঁদপুর সদর উপজেলার আশিকাটি এলাকার বাসিন্দা মাজেদা বেগম (৭০)। তিনি হাসপাতালে আসেন এর এক ঘণ্টা আগে। বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে মারা যান শহরের গুয়াখোলা এলাকার সালামত মিজি (৬৮)। তিনি হাসপাতালে আসেন দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে। তাঁদের তিনজনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাতে রিপোর্ট জানা যাবে।

বিজ্ঞাপন

এর আগে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে লতিফা বেগম (১০৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বাড়ি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগড়া বাজারসংলগ্ন উত্তর বালিয়া গ্রামে। করোনার উপসর্গ নিয়ে ওই দিন বিকেল সাড়ে চারটায় হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে তাঁর নমুনা সংগ্রহ হয়নি।

চাঁদপুর সিভিল সার্জন অফিসের হিসাব অনুযায়ী, আজ পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১০৬ জন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন