বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেড়িবাঁধের ভেতর উপজেলার ছেংগারচর, ঘনিয়ারপাড়, ঠেটালিয়া, ফতেপুর, ইসলামাবাদ, টরকী, রাঢ়ীকান্দি, ওটারচর, খাগুরিয়াসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ওই দুই দিনের ঝড়ে সেখানকার বেশ কিছু জমির কাঁচা ও আধাপাকা বোরো এবং কিছু জমির ভুট্টা মাটিতে নুইয়ে আছে। বৃষ্টির পানিতে আংশিকভাবে তলিয়ে আছে এসব এলাকার অনেক ধান, কাঁচা মরিচ ও ভুট্টাখেত। বড় ক্ষতি এড়াতে কৃষকেরা আধাপাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন। ফসলহানির শঙ্কায় কৃষকের চোখে-মুখে হতাশা ও উদ্বেগের ছাপ দেখা গেছে।

মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ওটারচর গ্রামের কৃষক আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, আত্মীয়-স্বজনদের থেকে ধার করে এ মৌসুমে ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন তিনি। ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। ফসল কাটারও প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ কালবৈশাখীর ছোবলে তাঁর ধানখেত লন্ডভন্ড হয়ে যায়। কিছু ধানগাছ নুইয়ে আছে আর কিছু বৃষ্টির পানিতে আংশিক তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় ধান কাটতে পারছেন না তিনি।

উপজেলার সাদুল্লাপুর গ্রামের কৃষক মো. শরিফ বলেন, প্রায় ১০০ শতাংশ জমিতে এবার ভুট্টা ও বোরোর চাষ করেছেন তিনি। কালবৈশাখীতে তাঁর প্রায় সব জমির পাকা ও আধাপাকা ধানের ফসল মাটিতে নুইয়ে গেছে। পানি ও কাদায় একাকার হয়ে আছে ধানখেত। অবস্থার উন্নতি না হলে ধান কাটা সম্ভব নয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সালাউদ্দিন বলেন, মতলব উত্তর উপজেলায় এবার ধানসহ অন্যান্য ফসলের ফলন ভালো হয়েছে। তবে কালবৈশাখীতে বেশ কিছু খেতের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কয়েকদিন টানা রোদ পড়লে কৃষকেরা ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারবেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও কমবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন