বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, প্রতিদিনের মতো ওই দিন সকালেও তাঁর মেয়ে মাদ্রাসায় যায়। তবে মাদ্রাসা ছুটির পর দুপুরে ওই ছাত্রী বাড়ি ফেরার পর থেকেই কান্না শুরু করে। পরে তিনি মেয়েকে নিয়ে বাড়ির পুকুর ঘাটে গোসল করতে যান। এ সময় তিনি তাঁর মেয়ের পায়জামা রক্ত দেখতে পান। এ সময় তিনি মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে সে মাকে ঘটনা জানায়।

বিষয়টি জানার পর ওই মেয়ের পরিবার মাদ্রাসায় গেলেও ওই শিক্ষকের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে মাদ্রাসা কমিটির সদস্যসহ স্থানীয় ব্যক্তিদের পরার্মশক্রমে ওই ছাত্রীকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান বলেন, ‘এই ঘটনায় আমরা দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় গতকাল সকালে মামলা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন