বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চাঁদপুর-শরীয়তপুর নৌপথের হরিণা ফেরিঘাটটি চাঁদপুর সদর উপজেলার হানারচার ইউনিয়নে অবস্থিত। ফেরিঘাটটি মোজাম্মেল গাজীকে ইজারা দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারের মামলা রয়েছে। তাঁর অত্যাচারে এলাকার মানুষ ও ফেরিঘাটে যাতায়াতকারী যানবাহনের চালক ও শ্রমিকেরা অতিষ্ঠ। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরিঘাটের পার্কিং ইয়ার্ড চার্জ ও টার্মিনাল চার্জের ইজারা বাতিলের অনুরোধ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। সেই পরিপ্রেক্ষিতে এখন থেকে বিআইডব্লিউটিএ নিজস্ব তত্ত্বাবধানে সরকারের নির্ধারিত নিয়ম মেনে পাকিং ইয়ার্ড ও টার্মিনাল চার্জ আদায় করবে।

জানা যায়, ২০০১ সালে খুলনা-চট্টগ্রামসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন রুটের জন্য শরীয়তপুর-চাঁদপুর ফেরিঘাটটি চালু করা হয়। এরপর থেকে চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি রুটে প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ যানবাহন পারাপার হয়। যেখানে ৫০ থেকে ৬০ টাকার চার্জ আদায় করার কথা, সেখানে ৩০০ থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত চার্জ আদায়ের অভিযোগ ওঠে ইজারাদারের বিরুদ্ধে। কিন্তু ইজারাদার কর্তৃপক্ষ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন