সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন পুলিশ সদস্য মোল্লা মেসবাহ উদ্দিন, মো. ফরহাদ আহমেদ ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অন্য দুজন হলেন পুলিশের সহযোগী আরমান শিকদার ও মো. বায়েজিদ। সাজাপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা বর্তমানে পলাতক। তাঁরা খুলনা পুলিশ লাইনে কর্মরত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১২ ডিসেম্বর খুলনা নগরের বি এল কলেজের দ্বিতীয় গেটের সামনের একটি দোকানে আসামিরা সাদাপোশাকে মো. শাহরিয়ার ও আবু ইছহাক নামের দুজনকে আটকে রাখেন। তাঁদের হাতকড়া পরানো ছিল। এ সময় মেসবাহ উদ্দিন নিজেকে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিচয় দিয়ে তাঁদের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। দর-কষাকষির একপর্যায়ে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়। পরে এলাকাবাসী ঘটনাটি দৌলতপুর থানায় জানালে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে শাহরিয়ার ও ইছহাককে উদ্ধার করে। আর ঘটনাস্থল থেকে সাজাপ্রাপ্ত ওই তিন পুলিশ সদস্যসহ পাঁচজনকে আটক করে।

পরে ওই পাঁচজনের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন উপপরিদর্শক (এসআই) কাজী বাবুল হোসেন। ২০১৫ সালের ১৯ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবু মুসা খন্দকার তাঁদের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কাজী সাব্বির আহম্মদ জানান, ওই মামলায় মোট ২১ জন সাক্ষী ছিলেন। এর মধ্যে আটজনের সাক্ষ্য নিয়ে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন