বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নূর হোসেনকে কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জে আদালতে আনা হয়। আদালতের কার্যক্রম শেষে তাঁকে কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি জাসমিন আহমেদ (এপিপি) প্রথম আলোকে জানান, ২০১৪ সালে চাঁদাবাজির অভিযোগে নূর হোসেনসহ আট আসামির বিরুদ্ধে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী সাইদুল ইসলাম। মামলায় নূর হোসেন, তাঁর ভাই-ভাতিজাসহ আটজনকে আসামি করা হয়। পুলিশ তদন্ত শেষে নূর হোসেনসহ চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলায় আট সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত অভিযুক্ত চার আসামিকেই খালাস দিয়েছেন।

এপিপি জাসমিন আহমেদ আরও জানান, নূর হোসেনের আরও তিনটি মামলার মধ্যে একটি মাদক মামলায় যুক্তিতর্ক হয়েছে। দুটি মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ থাকলেও সাক্ষীরা উপস্থিত হননি। তিনটি মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ১৪ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৭ জনকে অপহরণ করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর প্রথমে ছয়জন ও আরও কয়েকদিন পর আরেকজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই অপহরণ ও হত্যা মামলায় ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত নূর হোসেন ও র‍্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব্যাহতি) তারেক সাঈদ মোহাম্মদ, মেজর (অব্যাহতি) আরিফ হোসেন ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব্যাহতি) এম এম রানাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এর পর থেকে নূর হোসেন কারাবন্দী রয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি আপিল নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন