বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার বরাত দিয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান জানান, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে সাঁথিয়ার কোনাবাড়িয়া থেকে পাটগাড়ি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। এ কাজটি করছে ঢাকার এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

আজ বেলা ১১টার দিকে সড়কের কাজ চলার সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল খান ১০ থেকে ১২ জন সঙ্গী নিয়ে কোনাবাড়িয়ায় যান। এ সময় তাঁরা ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন এতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁরা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। একপর্যায়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কয়েকজনকে মারপিট করার পাশাপাশি তাঁরা সড়ক নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেন।

এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রল্লাদ কুমার বাদী হয়ে হাসিবুলসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করে দুপুরে সাঁথিয়া থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ আজ সন্ধ্যার দিকে হাসিবুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে নেন। এরপর তাঁকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি মো. আসাদুজ্জামান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাঁথিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ওই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে কাজ করছিল। ছাত্রলীগ নেতা হাসিবুল খান এর প্রতিবাদ করেছিলেন। এ ছাড়া কাজের অনিয়মের বিষয়টি হাসিবুল বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকে প্রকাশ করেছিলেন। এ কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ষড়যন্ত্রমূলকভাবে মামলা দিয়ে তাঁকে ফাঁসিয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন