শতাধিক ব্যবসায়ী টোল প্লাজার পাশে সংযোগ সড়ক ঘেঁষে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়েছেন। খাবারের দোকান, শিশুদের খেলনার দোকান ছাড়াও বিভিন্ন জিনিস নিয়ে বসেছেন দোকানিরা।

ঢাকার শাজাহানপুরের বাসিন্দা গিয়াস উদ্দিন নিজের গাড়িতে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পদ্মা সেতু দেখতে এসেছিলেন। তিনি ঢাকায় ফিরে যাওয়ার সময় রাতে জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার সামনে সময় কাটান। তিনি বলেন, ‘দুপুরের পর পদ্মা সেতু পার হয়েছি। সেতুসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখে ভাঙ্গা গোলচত্বরে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে টোল প্লাজার সামনে নেমেছি। রাতে পূর্ণিমায় প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে গভীর রাত পর্যন্ত ছিলাম।’

ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষার্থী গতকাল রাত ৯টার দিকে জাজিরা টোল প্লাজার সামনে যান। দলে থাকা সাইফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘সন্ধ্যায় বন্ধুরা মহল্লায় আড্ডা দিচ্ছিলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম পূর্ণিমার আলোতে পদ্মা সেতু দেখব। এরপরই বেরিয়ে পড়ি। চাঁদের আলোতে স্বপ্নের সেতু অনেক সুন্দর লেগেছে। অসাধারণ সময় কাটিয়ে ঢাকায় ফিরেছি।’

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী পার্থ সারথি বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ২৫ জুনের পর থেকে দর্শনার্থীরা দিনে পদ্মা সেতু দেখতে আসতেন। ঈদের দিন থেকে দিনের পাশাপাশি গভীর রাত পর্যন্ত জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজার আশপাশে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন