বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরিফ খাদ্যভান্ডারের আনিসুর রহমান বলেন, দোকানে থাকা তাঁর সব মালামালই ভস্মীভূত হয়েছে। এতে আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিসের রাজশাহী বিভাগের উপপরিচালক আবদুর রশিদ বলেন, খবর পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ, নাচোল ও রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাঁচটি ফায়ার সার্ভিসের দল এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। সন্ধ্যা সাতটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে ৪০টির মতো দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। আগুন লাগার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

তহা বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি আসাদুল হক বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের সংখ্যা ৪০টির কম নয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০ কোটি টাকার বেশি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবু হাসান জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উৎসুক জনতার ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসে।

দোকানদারদের অভিযোগ, ফায়ার সার্ভিস এসে সময়মতো কাজ করতে পারেনি। এ ছাড়া যান্ত্রিক গোলযোগও ছিল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুর রশিদ জানান, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দোকানদারদের মানসিক অবস্থা ঠিকমতো কাজ করছে না। তাই এ অভিযোগ করেছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন