বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংরক্ষিত আসনের সাংসদের আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সাংসদের ভাই মেসবাহুল জাকেরের ফেসবুক আইডিতে এই দৃশ্য পোস্ট করা হয়েছে।

নারী সাংসদ ফেরদৌসী ইসলামের সঙ্গে নৌকার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণার দৃশ্য ফেসবুকে প্রচার করার কথা প্রথম আলোর কাছে স্বীকার করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি গোলাম রাব্বানী।

এ বিষয়ে সাংসদের ভাই মেসবাহুল জাকের বলেন, ‘আমরা আসলে বুঝতে পারিনি। না বুঝেই এমন ভুল করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী জেলা যুবলীগের সভাপতি সামিউল হক প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনে ভরাডুবি আঁচ করতে পেরে এখন সাংসদও প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন। এটা অন্যায়।

এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোতাওয়াক্কিল রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সাংসদের নির্বাচনে প্রচারণায় অংশ নেওয়া আচরণবিধি লঙ্ঘনে মধ্যে পড়ে। কেউ তথ্য–প্রমাণসহ অভিযোগ করলে সাংসদকে সতর্ক করা হবে।

‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী জেলা যুবলীগের সভাপতি সামিউল হকের নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও তাঁর এক কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর লোকজন শনিবার রাতে বিদিরপুর মহল্লায় তাঁর একটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর ও শুক্রবার দুলহানউদ্দীন দুলাল নামের এক কর্মীকে মারধর করেছেন বলে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী অভিযোগ করেছেন।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোখলেসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁরা (বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন) নিজেরা এসব ঘটিয়ে আমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এসব অভিযোগ করছেন।’

বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর এবং তাঁর কর্মীকে মারধর করার অভিযোগের বিষয়ে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোতাওয়াক্কিল রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসব নিয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন