বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চন্দন কর প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রের বাইরে মুঠোফোনের মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্ন বিনিময় করার সময় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা হায়াত মাহমুদকে আটক করেছে। পরে হায়াত মাহমুদকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। আটক হওয়া ব্যক্তি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সদস্য বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রের সচিব ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকশানা আহমেদের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে। হায়াত মাহমুদ মুঠোফোনে থাকা প্রশ্নের সঙ্গে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো মিল পাওয়া যায়নি বলে তিনি দাবি করেন।

আটক অভিযানে থাকা এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানান, হায়াত মাহমুদ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে স্কাই ভিউ ইন নামে স্থানীয় একটি হোটেলে ছিলেন। গ্রিনভিউ উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে সামশুল আলম নামে হায়াতের এক বন্ধু পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। হায়াত মাহমুদের মুঠোফোনে দেখা গেছে, তিনি হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারের মাধ্যমে হাতে লেখা ৮০টি প্রশ্নের উত্তরের ছবি একাধিকজনের কাছে পাঠিয়ে এক লাখ টাকা করে দাবি করেন।

তবে আটকের সময় হায়াত মাহমুদ প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, বন্ধুদের সঙ্গে ‘মজা’ করার জন্য তিনি মুঠোফোনে সন্দেহজনক বার্তাগুলো আদান–প্রদান করেছেন। আর পরীক্ষার্থী বন্ধুর সঙ্গে দেখা করার জন্য কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন