বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বেলা ১১টায় মানববন্ধন কর্মসূচি শুরু হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘চাকরির কোনো বয়স নাই, মেধাতেই চাকরি চাই’, ‘ব্যাকডেটের প্রহসন, মানি না মানব না’, ‘প্রশ্ন ফাঁস নস্যাৎ কর, দুর্নীতি বন্ধ কর’, ‘নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন কর, করতে হবে’, ‘ভেঙে ফেল বয়সের শৃঙ্খল, আসবে সব তরুণ দল’ প্রভৃতি স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের আশপাশের প্রায় ৪০টি দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ -৪০ বছর বা তারও ঊর্ধ্বে। অথচ বাংলাদেশে এ নীতি কখনো অনুসরণ করা হয় না। স্বজনপ্রীতি থেকে শুরু করে প্রশ্নপত্র ফাঁস, এগুলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এতে অনেকে ভালো পড়াশোনা করেও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। একই সময়ে একাধিক পরীক্ষার সংস্কৃতিও বন্ধ করা হোক। একই দিনে একাধিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে অনেকেই পরীক্ষাতে অংশ নিতে পারে না।’

অন্য শিক্ষার্থীরা বলেন, চাকরির বয়সসীমা বাড়ানো তাঁদের অন্যতম দাবি। লেখাপড়া করেও তাঁরা চাকরি পাচ্ছেন না। কিন্তু অনেকেই প্রশ্ন ফাঁস করে ভালো চাকরি পাচ্ছেন। তাই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসব দাবি বাস্তবায়নের দাবি জানান তাঁরা।

সরকারি আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী খাইরুল ইসলাম, শিবলী নোমান ও ইসরাত জাহান, নবাব সিরাজউদ্দৌলা কলেজের শিক্ষার্থী বেলাল উদ্দিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন