বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ফুয়াদ আল মতিন ও তাঁর অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে আসামি করে ওই তরুণী বাদী হয়ে চাটখিল থানায় মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে উপজেলার একটি বিমা কোম্পানির কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয় এবং ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করা হয়।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক সিরাজুল মোস্তফা প্রথম আলোকে বলেন, আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ফুয়াদ ধর্ষণের ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন। তবে তিনি ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও ধারণের বিষয়টি স্বীকার করেননি। গ্রেপ্তার ফুয়াদের মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই ফোনে ধর্ষণের ঘটনার কোনো ভিডিও পাওয়া যায়নি। তবে এ বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত আছে। প্রয়োজনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হবে।

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবলীগ নেতাসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মামলাগত সোমবার কৌশলে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই। তবে মামলার অজ্ঞাতনামা আরেক আসামিকে পিবিআই এখনো শনাক্ত করতে পারেনি।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ঘটনার দিন চাকরির জন্য ওই তরুণী ফুয়াদের কথামতো ওই বিমা কোম্পানির কার্যালয়ে যান। এরপর ফুয়াদ ও তাঁর সহযোগী ওই তরুণীকে নাশতা ও কোমল পানীয় খেতে দেন। কোমল পানীয় পান করার পর ওই তরুণী অনেকটাই শক্তিহারা হয়ে যান। একপর্যায়ে ফুয়াদ ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ফুয়াদের সহযোগী মুঠোফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন। পরে স্থানীয় এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকের সহায়তায় ওই তরুণী নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন।

পিবিআই জানায়, মামলার পর ফুয়াদ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সে অনুযায়ী তিনি নিজের নাম পাল্টে সোহেল রানা নাম দিয়ে কুমিল্লা শহরের কান্দিরপাড় এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে ফুয়াদকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন