বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটক ব্যক্তিরা হলেন নিহত আশিক ইসলামের বন্ধু আশিক আলীর বাবা কালাম আলী, মা আরিফা বেগম ও বড় ভাই আরিফ। তাঁদের বাড়ি চারঘাট উপজেলার চন্দন শহর গ্রামে। সংঘর্ষের সময় আশিক ইসলামও আহত হয়েছে। তবে পুলিশ তাকে আটক করতে পারেনি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আশিক ইসলাম ও তার বন্ধুরা স্থানীয় কাঁকড়ামারী বাজারে আতশবাজি (মরিচ পটকা) কিনতে যায়। আতশবাজি নিয়ে ফেরার পথে তাদের আরেক বন্ধু আশিক আলীর সঙ্গে দেখা হয়। এ সময় আশিক বন্ধুদের কাছে থেকে মজা করার জন্য তিনটি আতশবাজি কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

রাত ১০টার দিকে আশিক ইসলাম ও তার বন্ধুরা মিলে আতশবাজি উদ্ধার করতে চন্দন শহর গ্রামে আশিক আলীর বাড়িতে যায়। এ সময় দুই আশিকের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আশিক ইসলাম ও তার বন্ধুরা আশিক আলীর পরিবারের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে আশিক আলী ও আশিক ইসলাম দুজনই আহত হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পথে আশিক ইসলামের মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশিক আলীর বাবা কালাম আলী, মা আরিফা বেগম ও বড় ভাই আরিফকে আটক করে।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ ঘটনায় নিহত আশিক ইসলামের বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন